মেনু নির্বাচন করুন

পূর্ববর্তী মামলার রায়
মামলার রায়
 
মামলা নং- ৪৮/ তারিখঃ ০৩/০৪/২০১৮
 
১ম পক্ষ-                                     ২য় পক্ষ-
আবদুর রহমান                        ১) খাদিজা খাতুন বিবি
পিতা- আবদুল হালিম                            স্বামী-ওসমান গণি
সাং-রামপুর,ওয়ার্ড নং-০৫,                           ২)ওসমান গণি
ডাকঘর-বামনীয়া,                      পিতা- মৃত আবুল ফররাহ্
উপজেলা-কোম্পানীগঞ্জ,                      সাং-রামপুর,ওয়ার্ড নং-০৫,
জেলা-নোয়াখালী।                           উপজেলা-কোম্পানীগঞ্জ, 
                                                                জেলা-নোয়াখালী।
 
 
উভয় পক্ষের সীমানা বিরোধ নিয়া রামপুর ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে আবেদনের আলোকে চেয়ারমম্যান সাহেব, মেম্বার গণের নেতৃত্বে স্থানীয় আমিন দ্বারা পরিমাপ করিয়া দেখা যায় যে, দিয়ারা জরিপীয়-১১৩৩৮,১১৩৩৯,১১৩৪০,১১৩৪১ দাগের মধ্যে পরস্পর একদাগ অপর দাগের উপর ৭ফুট,৮ফুট-১০ফুট অতিক্রম করে। কিন্তু সরজমিন তদন্ত করে দেখা যায় যে, বর্তমান ১১৩৪১ দাগের মালিকগণ ১৯১৪ সাল হইতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান দখলে আছে এবং বর্তমানে বাড়ি,বাগান,পুকুর,বসতঘর,পাকঘর একাধিক ঘর-দরজা নিয়া শান্তি-শৃঙ্খলভাবে বসবাস করিতেছে একশত বছর পর্যন্ত। তাই এমতাবস্থায় কেহ কাহারো জায়গাতে আঘাত না করিয়া পূর্বের সীমানা মোতাবেক দখলে থাকার পরামর্শ দেওয়া গেল। বাস্তবিক নকশা অনুপাতে একজন অন্যের জায়গাতে প্রায় একশত বছরের উর্ধবকাল  দখলে আছে। কাহারো দীর্ঘ সময়ের দখলীয় যায়গা থেকে কাহাকে উচ্ছেদ করে অপর পক্ষকে দখল দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের গ্রাম আদালতের নেই। তদন্তক্রমে আরো দেখা যায় যে, ১ম পক্ষের পূর্বের খরিদা মলিকগণ ১১৩৪০ দাগ ভ’মি খরিদ করিয়া দীর্ঘদিন যেইভাবে দখলে ছিল সেইভাবেই বর্তমান খরিদা মালিকগণ দখলে থাকিবে এবং ২য় পক্ষ বাড়ি-ঘর নির্মাণ করিতে যেইভাবে দখলে ছিল সেইভাবে ই থাকিবে। যেহেত– অত্র দখল উচ্ছেদ করে উচ্চ আদালত থেকে অর্থাৎ যথাযথ উচ্চ আদালত থেকে উচ্ছেদের মোকর্দ্দমা করে দখল নেওয়া পক্ষগণের ব্যক্তিগত অভিমত। 
 
প্রকাশ থাকে যে, স্থানীয় সাক্ষী-প্রমাণ নকশার অবস্থা দখলে থাকা ঘর-দরজার অবস্থা সার্বিক বিবেচনাক্রমে উভয় পক্ষকে স্থানীয় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সাবেক দখলে বহাল থাকার পরামর্শ দেওয়া হইল।